জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর

রেকর্ড রফতানি আয় তুরস্কের শিল্প খাতে

চলতি বছরের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে রেকর্ড পরিমাণ রফতানি আয় করেছে তুরস্কের শিল্প খাত।

চলতি বছরের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে রেকর্ড পরিমাণ রফতানি আয় করেছে তুরস্কের শিল্প খাত। দেশটির রফতানিকারকদের সংগঠন তুরস্ক এক্সপোর্টার্স অ্যাসেম্বলির (টিআইএম) তথ্যানুযায়ী, নয় মাসে শিল্প খাতের রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৩২০ কোটি ডলারে। খবর আনাদোলু।

দেশটির শিল্প খাতে কর রেয়াত ও কর্মসংস্থান সহায়তা অব্যাহত থাকায় এ রফতানি প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে টিআইএম। রফতানিকারকদের পাঁচ পয়েন্ট করছাড় ও প্রতিজন কর্মীর জন্য ২ হাজার ৫০০ তুর্কি লিরা (প্রায় ৫৯ ডলার) সহায়তা রফতানি বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বৈশ্বিক বাণিজ্য চুক্তি ও খাতভিত্তিক বৈঠকও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

এ সময়ে তুরস্কের মোট রফতানি আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৬০ কোটি ডলারে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে শিল্প খাতের রফতানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ, যা মোট রফতানির ৭১ দশমিক ৪ শতাংশ।

১৫টি শিল্প উপখাতের মধ্যে ছয়টি রেকর্ড রফতানি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে অটোমোবাইল, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিকস, গহনা, প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ, এয়ারকন্ডিশনিং এবং জাহাজ, ইয়ট ও সংশ্লিষ্ট সেবা খাত।

রফতানি বৃদ্ধির হারে শীর্ষে রয়েছে প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ খাত, যার রফতানি বেড়েছে ৩৯ দশমিক ৩ শতাংশ। গহনা খাতে প্রবৃদ্ধি ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ, অটোমোবাইলে ১২ দশমিক ৩, জাহাজ ও ইয়ট খাতে ৮ দশমিক ৭ শতাংশ, ইলেকট্রনিকসে ৫ দশমিক ৭ এবং এয়ারকন্ডিশনিংয়ে ৩ দশমিক ২ শতাংশ।

রফতানি গন্তব্যের মধ্যে জার্মানি তুর্কি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার। দেশটি তুরস্ক থেকে ৪৯০ কোটি ডলারের অটোমোবাইল এবং ৫৭ কোটি ১৭ লাখ ডলারের এয়ারকন্ডিশনিং পণ্য আমদানি করেছে। নরওয়ে জাহাজ ও সেবা খাতে ২৬ কোটি ৪৬ লাখ ডলার, যুক্তরাজ্য ইলেকট্রনিক পণ্যে ১৩০ কোটি ডলার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত গহনায় ২৩০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।

ইস্তানবুলের বাহচেসেহির বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্সিয়াল রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ইব্রাহিম উনালমিশ আনাদোলুকে বলেন, ‘শিল্প খাতের প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেত্র রফতানি বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। তবে যেসব খাতের পণ্যে মূল্য সংযোজন বেশি, তাদের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে বেশি আর শ্রমনির্ভর খাতগুলোয় রফতানি কিছুটা কমেছে।’

আরও